Welcome

I'm Entrepreneur Programmer SEO Expert

View Work Hire Me!

About Me

Entrepreneurs
SEO Expert and Branding
Web Developer
Who am i

Zahangir Alam.

SEO specialists, WEB Designers - Digital Entrepreneurs

All the time I dream about being an entrepreneur. The idea of ​​how to earn internet started from the beginning of the year Until now, I've been trying..

As a planning dircetor I'm involved in Lemonia Industries Ltd. I am working with Mymensingh Division and Tangail District Branding Distributors. You can contact me for your needs .

Services

Entrepreneur

I am working as a merchandise merchant in Mymensingh division. You can work as a seller by contacting us. We are conducting business in Halal way. You can also join us

Freelancing

I'm working on some YouTube channels on an online issue. You can easily earn online by watching my channel video. You can contact me about earning online

Branding

I have been working in Social Networking and CPA for almost 2 years. Now I'm working with my product. Limo is involved as Managing Director of Interpise Management.

Marketing

The techniques that are being developed using marketing strategies are: Product strategy, price strategy, distribution strategies and expansion strategies.

Our Blog

শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় পূর্ব প্রস্তুতি - NTRCA তে নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবেন?

শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজ আমি শেয়ার করব শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায়/NTRCA তে নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবেন? বর্তমান পরিক্ষাগুলোতে খুবই হাড্ডাহাড্ডি অবস্থা। অনেকে ভাল পড়াশুনার করার পরও শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে পারেন না। এর মূল কারণ হলো পযার্প্ত  রিভিশনের অভাব ও কমন সাজেশনের অভাব।

 যা ফলে কাছাকাছি থেকেও বাদ পড়ে যায়। আজ আমি এমন একটি সোস্ নিয়ে আলোচনা করবে, যা মাধ্যমে আপনি নিজেকে খুব সহজে শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় সহ সরকারি চাকরি পরিক্ষাগুলোতে নিজেকে এগিয়ে থাকবেন। ইনশাল্লাহ। শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় মূলত ৪ ধরনের প্রশ্নের আলোচনা করা হয়। 

৪টি বিষয়ের উপরই আপনার ভাল দক্ষতা থাকতে হবে। আমার দেখানো পদ্ধতিতে আপনি সহজেই ৪টি বিষয়ের উপর ভাল দখল রাথতে পারবেন। ইনশাল্লাহ। আপনি কতটুকু আয়ত্ব করতে পারছেন ও প্রশ্নগুলো জানা না থাকলেও নিজেকে আবার সুযোগ দিয়ে আয়ত্ব করে নেওয়ার সুযোগ আছে। তো আমি সেই কমন প্রশ্নগুলোর লিংক নিচে দিয়ে দিচ্চি। যার মাধ্যমে সহজ কুইজ আকারে প্রশ্ন দেওয়া থাকবে । প্রতিটির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। না পরলে পরবর্তী সময়ে ভিডিও দেখুন। আশা করি আপনি নিজেকে পরবর্তীতে সঠিক উত্তরটি দিতে পারবেন। শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় কুইজ আকারে প্রশ্ন দেখুন। নিজেকে এগিয়ে রাখুন।

শিক্ষক নিবন্ধন/ NTRCA  পরিক্ষায় পূর্ব প্রস্তুতিতে উপরের ৪টি বিষয়ের ভিডিওগুলো দেখতে থাকুন। নিজেকে প্রস্তুত করুন। খুবই সহজ পদ্ধতিতে। নিজের মেধা যাচাই করুন। ধন্যবাদ।




নারী জাতি বেশি পরিমানে জাহান্নামে যাবার কারণ কি?

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে এবং রমযানের রোযা রাখবে স্বীয় গুপ্ত স্থানের হেফাজত করবে পর্দা রক্ষা করে এবং ব্যভিচার থেকে বিরত থাকে আর স্বামীর আনুগত্য করবে এমন নারীর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে যে দরজা ইচ্ছা সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে । এই হাদিসটি দ্বারা বোঝা যায় যে, মেয়েদের জন্য খুবই সহজ জান্নাত লাভ করা সম্ভব। অন্য একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন রাসূল সাঃ বলেছেন এই নারীগণ তোমরা দান সদকাহ বেশি বেশি করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো । কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদেরকে অধিকহারে দেখেছি এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন মহিলা প্রশ্ন করল ইয়ারাসুলাল্লা আমাদের কেন এই অবস্থা। কেন বা জাহান্নামে আমারা বেশি সংখ্যায় যাবো সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও । বলতে খারাপ শোনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তবচিত্র এইরকমই। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই হাদিসটি দ্বারা বুঝা যায় যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হবে নারী জাতি অথচ প্রথম হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে মেয়েদের জন্য জান্নাত গমন খুবই সোজা কিন্তু তবু কেন নারীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাহান্নামে যাবে আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখি নারীকে দেখেছি তারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্ত হলেও নিজ সন্তানদের অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই দুইটি সভাব পরিহার করতে হবে । অবশ্যই আর রাসূল সাঃ এর বলার উদ্দেশ্য তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে আবার অনেক স্বামী আছেন। যার নিজের স্ত্রী ছবি ফেসবুকে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে স্ত্রীকে সাজিয়ে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন আর পর পুরুষের সামনে বেপর্দা করছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ এর ভাষ্যমতে দায়িত্ব এই যে, যদি সে তার স্ত্রী কন্যাদের বেপর্দাভাবে চলাফেরা করা বন্ধ না করে তাদের অশ্লীলতা ব্যভিচারপূর্ণ রাখে যেসব ভাইয়েরা দাইয়ুছের কাতারে আছেন। আজই তারা তওবা করুন নিজেদের পরিবারের মহিলাদের বোঝান ও সর্তক হোন দিন। তারপরেও না বুঝলে বাধ্য করুন কেননা তাদের ব্যাপারে আপনাকে পরকালে জিজ্ঞাসা করা হবে। এমনকি আপনার জান্নাত ও জাহান্নাম অনেক অংশ তাদের উপর নির্ভর করছে কারণ তারা আপনার অধীনস্থ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিনজন আছেন যাদের দিকে মহান আল্লাহপাক কেয়ামতের দিন নজর দেবেন না। যে পিতা মাতার অবাধ্য যে নারীর বেশভূষা পোশাক পরিধান পুরুষের অনুকরণ করে এবং দাইয়ুস ব্যক্তি আর নাসাঈ শরীফ হাদিস নং ২৫৬২ আর যে ব্যক্তি তার পরিবারের প্রশ্রয় দেয় তাকে দাইয়ুছ বলে অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী সন্তানদের বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা সুযোগ দেয় তাকে দাইয়ুস বলা হয়।

আপনার স্ত্রী-কন্যাদের বেপর্দায় ছেড়ে দেবেন তারা যা ইচ্ছা করবে বেপর্দায় চলবে এবং আপনি তার কারণে গুনাহগার হবেন না আপনি যদি তাদেরকে আল্লাহর ভয় না দেখান এবং বেপর্দায় চলতে বাধা না দেন তাহলে আপনিও গুনাগার হবেন কারণ তাদের দায়িত্ব আপনার উপর রাসূল সাঃ বলেন, 
তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল তোমাদের প্রত্যেককেই দায়িত্ব পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। হাদিস নং ২৪০০। 
বন্ধুরা আমাদের সমাজে আজকাল কার বেপর্দায় চলে সমাজের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে তো বন্ধুরা এই লেখাটি আপনাদের ফ্যামিলি মেম্বার যারা আছে তাদেরকে সবাইকে শেয়ার করে পর্দায় আনা এবং যেসব গুনাহের কাজ গুলো এসব থেকে বিরত রাখার জন্য এই লেখাটি বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।

বিখ্যাত চীনের পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এর জীবনীর নানার অজানা তথ্য

হিউয়েন সাঙ ৬০২ খ্রিস্টাব্দ সেখানকার চীনের লুজু প্রদেশে বতমানে যা হিঙ্গা প্রদেশ নামে পরিচিত । সেখানটা গুওরি টাউন নামে পরিচিত একটি সম্ভ্রান্ত ও উচ্চ শিক্ষিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । 
তার পূর্বপুরুষ চেনশিং  ছিলেন হাঙ্গ সম্রাজের একজন মন্ত্রী । তার বাবা চেঙ্গ হুই সুই সম্রাজের একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন । বাল্যকাল থেকে তিনি ধর্মগ্রন্থ । বিশেষ করে চইনিক গ্রন্থসমূহ এবং রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং কনফুসিয়াসের দর্শন এর অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং হিউয়েন সাঙ তার বাবার কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন । 
এই সময় তার বড় ভাই শেঙ্গ শো বোদ্ধ ধমে অনুরক্ত হয়ে বোদ্ধ বৃক্ষু হয়ে যান। হিউয়েন সাঙ বড় ভাইয়ের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বোদ্ধ বৃক্ষু  হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন কিন্তু তার বাবা তাতে সম্মতি প্রদান করেননি । ৬১১ খ্রিস্টাব্দে তার বাবার মৃত্যু হলে তিনি লোয়াং প্রদেশে তার বড় ভাইয়ের সাথে ৫ বছর কাটিয়ে দেন। এরও ২ বছর এরপর 618 খ্রিস্টাব্দের দিকে যখন চীনের জুই সম্রাজ ভেঙ্গে পরে তখন তিনি এবং তার ভাই তাক সাম্রাজ্যের রাজধানী চেঙ্গানে চালিয়ে যান ।  এখানে একটি বোদ্ধ আশরমে আরো দুই বছর অতিবাহিত করতে হয় তাদেরকে এরপর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি একজন পুরো বৌদ্ধ বৃক্ষু হয়ে ওঠেন এবং সেই সময় তিনি বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য ভারত বর্ষ ভ্রমণের সুযোগ গ্রহণ করেন । ভারতবর্ষে ভ্রমণের প্রস্তুতি জন্য তিনি তাং সম্রাজ্য রাজধানীতে চলে যান এবং সেখানে সংস্কৃত ভাষার উপর পড়ালেখা শুরু করেন তাং আরো বছর ঘুরে বেড়ান এবং ফারিয়েন কে  ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন অবশেষে ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে একটি স্বপ্ন দেখে যাত্রার প্রতি আকর্ষণ আরো জোরালো হয়ে উঠে তার। ওই সময় তাং সাম্রাজ্যের তুকিদের যুদ্ধ চলছিল । তাই তাং রাজা তাংজং তাদের নাগরিকদের বিদেশযাত্রা নিষেধ করে দিয়েছিলেন কিন্তু হিউয়েন সাঙ শহরের সদর দরজার প্রহরীদের বুঝিয়ে শহর থেকে যেতে সক্ষম হন তারপর তিনি ৬২৯ কোং হি প্রেদেশে চলে আসেন।  সেখানে গোবি মরুভূমি পার হয়ে তুরফান পৌঁছান 630 খ্রিস্টাব্দে  তুরফান থেকে আরো পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে তিনি হাজির হয়ে সেখানে উচা হয়ে পৌঁছান এরপর উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্ডে আসেন। সেখান থেকে আরো পশ্চিমে পার্শিয়া নিয়ন্ত্রিত সমাক্ষন শহরে পৌঁছে ছিলেন তিনি । সমাক্ষন কিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়া বৌদ্ধ স্থাপনা দেখে বিশমিত হন। এখান থেকে পশ্চিমের আমুদরিয়া ভ্রমন করেন। সেখান থেকে সেখানে তিনি প্রায় ১হাজার বৌদ্ধ বৃক্ষু সাথে সাক্ষাৎ করেন এরপরে তিনি খুদু শহরে যান। সেখানকার প্রিন্জ তার তার দূরের অন্তটিক্রিয়া দেখার জন্য কিছু কাল তিনি সেখানেই অবস্থান করে কাটিয়ে দেন । সেখানে তিনি ধম সীমা নামের এক বিখ্যাত বৌদ্ধ বৃক্ষু সাথে সাক্ষাৎ লাভ করেন সদ্যকৃত প্রিন্জ তারতুর উপনেবিক পরবর্তীতে আফগানিস্তানের নব বিহার পরিদর্শন করেন । এই বিহারে তিনি অনেক বৌদ্ধ মট ও মহাগ্রন্থে অনুসারি ৩ হাজার বৌদ্ধ বিক্ষুকে দেখতে পান। এই বিহারে কিছুদিন কাটিয়ে তিনি বর্তমানে জালালাবাদ নামে পরিচিত এখানে চলে আসেন এরপর আদীপুর ত্যাগ করে তিনি তৎকালীন গান্ধার রাজ্যের রাজধানীর পেশুয়ারের দিকে অগ্রসর হন সেখানে যাওয়ার সময় তিনি অনেক বৌদ্ধ মট এবং ধ্বংসস্তূপ দেখতে পান। পেশুয়ারে তখন বৌদ্ধের জন্য সুসময় ছিল না। এখানে তিনি কনিষ্ট স্তূপ পরিদশন করেন। এরপর তিনি সোয়াদ উপাত্যকা ভ্রমন করেন। সেখানে প্রায় ১৪০০ পরিত্যাক্ত বৌদ্ধ মট দেখতে পান। সোয়াদ উপাত্যকা দিয়ে সিন্ধু নদ পাড় হয়ে কাশ্মীরের আসেন ৬৩১ খ্রিস্টাব্দের দিকে এখানে ৬৩২ থেকে ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত উদাত্ত বিক্ষুদের সাথে মহাজান উডয়ন করে কাটান। এরপর তিনি লাহুর ও মতিপুরের দিতে রওনা দেন। এ অঞ্চলেন মট ও স্তূপ পরিদশন ৬৩৪  খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের জলান্ধরে আসেন। এখান থেকে মধুরা  ভ্রমণ করেন । এই অঞ্চলের ভ্রমন করে চলে আসেন এবং ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে গঙ্গা নদীর তীরবত্তি প্রায় সকল বৌদ্ধ মঠ এবং স্তূপ পরিদর্শন করেন 637 খ্রিস্টাব্দের বৌদ্ধে জন্মস্থান মৌ-মিনি এবং কুশি নগর স্থান পরিদর্শন করেন তিনি এরপর বারাণসী বৈশালী, পাটালশী এবং বুদ্ধগয়া ভ্রমণ করেন। এখানে তিনি বিহারের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় আসেন এবং প্রায় দুই বছর যুক্তিবিদ্যা, ব্যাকরণ, সংস্কৃত ভাষা নিয়ে লেখাপড়া করেন ।  638 খ্রিস্টাব্দের দিকে বঙ্গদেশের পণ্য বদন রাজ্যের রাজধানী পুন্দ্রনগর যেটি বর্তমানে বাংলাদেশের মহাস্থানগড় নামে পরিচিত সেখানে তিনি ভ্রমণ করেন এরপর তিনি নওগাঁ জেলার সোমপুর মহাবিহার পরিদর্শন করেন সে সময় বঙ্গ দেশ সম্পর্কে তিনি যে তথ্য লিপিবদ্ধ করে যান তা থেকে জান। তা থেকে জানা যায় দেশটির পরিমীম ছিল প্রায় ৪ হাজার লী। ৬ লী কে এক মাইল এবং এর রাজধানী পরিসীমা প্রায় ৩০ লী। দেশটিকে ঘনবসতিপূর্ণ এবং সব ধরনের খাদ্য পরিপূর্ণ হিসেবে দেখতে পান। এদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রাপ্ত সুস্বাদু পানশা ফল কাঁঠাল বিশেষভাবে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি পূণ্যবধন সম্পর্কে আরও বলেন এখানকার মানুষের বিদ্যার কদর করে । বঙ্গ দেশ ভ্রমন শেষে তৎকালীন কামরূপের বৌদ্ধ রাজা ভাস্কর বর্মন এর নিমন্ত্রণে মরূপের রাজধানী প্রাগ জ্যতিশপুর তথা বতমান গোও হাটি ভ্রমণ করেন তিনি এই পথ যাত্রা কালে তিনি প্রশস্ত নয়শত নদী পার হন ধারণা করা হয় এই নদীতে করোতোয়া এরপর তিনি রাজা হর্ষবর্ধনের আমন্ত্রণে কোনজে যে আসেন । পরবর্তীতে তিনি পর্যায়ক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী এবং নাগাডু কণবিহার ভ্রমণ করেন সর্বশেষ তিনি ভ্রমণ করেন পাহলোভীদের রাজস্থানী কানচি এরপর খাইভার পাশ দিয়ে ভারত ত্যাগ করেন ভারতবর্ষের চীনের পথ পাড়ি দিয়ে তিনি সেখানে পৌঁছান ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে পরবর্তীতে ৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভারত ভ্রমণের সময় তার অর্জিত জ্ঞানকে তিনি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অক্লান্ত পরিশ্রম করে যান।

Contact Us

Phone :

+88 00000 000 000

Address :

Jamalpur, Mymensingh,
Bangladesh

Email :

zahangiralamjp@gmail.com