Friday, February 21, 2020

দৃষ্টিপাত- জমজম পানির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
জমজমের পানির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে জানব তার আগে বন্ধুরা চলুন জেনে আসি জমজম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা । পবিত্র কাবা ঘর থেকে মাত্র ২১ মিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত জমজম কূপ । বর্তমানে এটি মসজিদের ভেতরের আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে । তার ওপর তৈরি করে একটি শক্তিশালী পাম্পিং মেশিন বসানো হয়েছে ।
সে মেশিনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা হয় । তো বন্ধুরা চলুন এই মেশিনটা কতটা ক্ষমতা সম্পন্ন একটু জানার চেষ্টা করি । জমজম পানি পর্যায়ে ভূপৃষ্টের ১০.৬ নিচে এটা আল্লাহর কুদরতে যে, জমজম ক্রমাগত প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার হারে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে করা হয় তখন পানির পর্যায়ের প্রায় ৪০ ফুট নিচে নেমে যায় কিন্তু যখন করা বন্ধ করা হয় । তখন পর্যায়ে দ্রুত ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ উচ্চতায় ফিরে আসে । প্রতি সেকেন্ডে যদি ৮০০০ লিটার হয় অর্থাৎ প্রতি মিনিটে হবে এটি চালু প্রতি মিনিটে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার লিটার। ২৮ পয়েন্ট ৮ মিলিয়ন লিটার প্রতি ঘন্টায়। মানে হচ্ছে ৬৯১.২ মিলিয়ন লিটার প্রতিদিন পানি উত্তোলন করা হয়  জমজম কূপ থেকে । পান করে কিন্তু এটা কেবল মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় এখানে দুইটা আল্লাহ তাআলার প্রথম জমজম পানি দ্রুত পুনঃভর্তি হয় আল্লাহ তায়ালার কুদরতের বাইরে কোনো অতিরিক্ত জমজম পানি নিক্ষেপ করে না । পবিত্র কুরআনে বলেন জমজম কূপের পানি আল্লাহ তাআলার রহমত স্বরূপ তিনি হচ্ছেন জাপানের বিজ্ঞানীরা মাশারি ই মটর বলেছেন যে একটি বইতে বলেছেন আকাশ থেকে পড়া তুষারকণা হচ্ছে অনন্য তার বৈজ্ঞানিক অনুভূতিটাকে বলছিল যে এটা সত্য হতে পারে না ।

তুষারকণা জ্যামিতিক আকারের এর রাসায়নিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয় । এই বিজ্ঞানী বলেছিলেন যে পানির গঠন সু-পরিচিতি । হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত হয় তাই আকাশ থেকে পড়া তুষারগুলো একে অন্য থেকে আলাদা কিভাবে হতে পারে । আমি মানসিকতা বদ্ধ ছিলাম যে এই তথ্যকে কিভাবে ভুল প্রমাণ করব তিনি একটি গবেষণাগার তৈরি করেছিলেন । যাতে একটি রেগুলেটর আরেকটি ডিপ ফ্রিজ ছিল যেহেতু কোন তরলপদার্থ যদি হঠাৎ করেই জমাটবদ্ধ করা হয় তাহলে এটি জ্যামিতিক আকার ধারণ করতে পারে না । জমাটবাঁধা অবশ্যই ধীরে হতে হবে । যাতে করে পরমাণুগুলো বিধাতার দ্বারা নির্ধারিত আকারে ক্রিস্টালাইজেশন বা ইসফুটিকায়ন হবার সুযোগ লাভ করে । একটি রেগুলেটর সহ একটি ডিপফ্রিজ  ছিল মাইনস ৭ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটি ঠান্ডা কক্ষ এবং ক্যামেরা দ্বারা সুসজ্জিত কতগুলো অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছিল । যাতে করে তুষারকণা গলে যাওয়ার আগে এগুলোর ছবি গ্রহণ করা যায় । বিজ্ঞানীরা এই কক্ষে গরম কাপড় পড়ে শুরু করেন । তিনি বলেছেন আমি গবেষণায় ২টি নলের থেকে নমুনা নিয়েছিলাম । আমি এদের জমাট করি এবং প্রতিটি নমুনা আমাকে একটি আলাদা তুষারকণা দিয়েছিল । নমুনা গুলো দুটি আলাদা কুপের থেকে দুটি আলাদা নদী থেকে দুটি আলাদা হ্রদ থেকে আমি গ্রহণ করেছিলাম । আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম এবং ভেবেছিলাম এটি একটি জাদুমন্ত্র । টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত একজন সেীদির ছাত্রের সাথে হঠাৎ করেই তার দেখা হয়ে বিজ্ঞানিও তার সমস্যা সম্পর্কে  বলে ছাত্রটি তাকে বলে যে আমাদের এক ধরনের পানীয় রয়েছে যাকে জমজম পানি বলা হয় আমি আপনাকে এই পানির নমুনা দেবো যাতে করে আপনি ওর উপর পরীক্ষা চালাতে পারেন । জমজমের পানি জাদু মন্ত্র বা জিন দ্বারা প্রভাবিত হয় না । তাই এটা ব্যবহার করা হলে সমগ্র তত্ত্বের প্রমাণ সত্য বা মিথ্যা সাব্যস্ত করবেন । ইমটো জমজমের পানির একটি নমুনা নিলেন তিনি বলেছেন আমি এটাকে ক্রিস্টালাইজেশন বা ইসফুটিকায়ন করতে পারিনি এমনকি পর্যন্ত পানিতে ১০০ ভাগ পাতলা করার পরেও অন্য কথায় তিনি এক ঘন সেন্টিমিটার কে এক লিটারে রূপান্তরিত করেন । তিনি বলেন যে, তিনি যখন পানি ১ হাজার ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন এক অনবদ্য আকারের স্পোর্টিং ক্লাব করেন । দুই স্পোর্টিং গঠিত হয় একটি অপরটির উপর কিন্তু এগুলো একটি অন্যটির আকার গ্রহণ করেন । যখন তিনি তার মুসলিম সহকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেন । কেন দুটি স্পোর্টিং হলো যেহেতু জমজম দুটি শব্দ দ্বারা গঠিত এবং মাসরি ই মাটর বলেন, আমার মুসলিম সহকর্মী পানির উপর কোরআনের আয়াত পাঠ করার প্রস্তাব দেয় । সে একটি টেপ রেকর্ডার নিয়ে আসে এবং কতগুলো কোরআনের আয়াত বাজান এবং আমরা সবচাইতে নিখুঁত আকৃতির স্ফটিক লাভ করি । তারপর সে আল্লাহ সর্বশক্তিমান ৯৯ টি নাম বাজায় প্রতিটি নামে একটি অনবদ্য আকারের স্পোর্টিং তৈরি হয় । যখন ড. ই মটো পরীক্ষা সম্পন্ন করেন যা ১৫বছর স্থায়ী হয়েছিল তিনি একটি পছন্দের বই নির্মাণ করেন যার নাম হচ্ছে পানি থেকে বর্ধমান তিনি লেখেন আমি প্রমাণ করেছি ওই বিশেষ তরলটি চিন্তা করার মাপার বা বোধ করার উত্তেজিত হওয়ার এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে । ডক্টর  মাসরি এ মটো নিম্নোক্তভাবে লিখেছেন জমজম পানির গুন বিশুদ্ধতা এই পৃথিবীর অন্য কোথাও পানিতে এর যা গুন বিশুদ্ধতায় আছে তা অন্য পানিতে পাওয়া যাবে না । তিনি নানো প্রযুক্তি ব্যবহার করেন এবং জমজম পানির ওপর প্রচুর গবেষণা করেন এবং দেখতে পান যে যদি জমজম পানির ফোঁটা নিয়মিত পানির ১০০০ ফোটাতে মিশ্রিত হয় তবুও নিয়মিত পানি জমজম পানির মতোই সমান গুন লাভ করবে । তিনি আরো দেখতে পান যে জমজম পানির একফোঁটা তে একটি খনিজ পদার্থের নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে । যায় এই পৃথিবীর অন্য কোন পানিতে পাওয়া যাবে না । তিনি কিছু পরীক্ষাতে দেখতে পান যে জমজম পানির গুণ বা উপকরণ পরিবর্তন করা যায় না । কেন বিজ্ঞান এর কারণ জানে না । এমনকি তিনি জমজম পানির  ‍পূণ প্রক্রিয়াজাতকরণ করেন কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয়নি । এটা কোন বিশুদ্ধ ছিল এই বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে মুসলমানরা খাওয়া বা পান করার আগে বিসমিল্লাহ বলে । তিনি বলেন যে নিয়মিত পানিতে বিসমিল্লাহ বলা হলে এর ফলে নিয়মিত পানির গুণের কতগুলো অদ্ভুত পরিবর্তন ঘটে । সুবাহানাল্লাহ এর ফলে এটা সর্বোত্তম পানি হয় । তিনি আরো দেখতে পান যে যদি নিয়মিত পানির উপর কোরআন পাঠ করা হয় তাহলে এটি বিভিন্ন ভেধি চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা লাভ করে । সুবাহান আল্লাহ। নিশ্চয়ই আল্লাহর এটা একটি ক্ষুদ্র । আজ থেকে প্রায় ৪০০০ বছর আগে শিশু ইসমাইল (রাঃ) ও তার মাকে রেখে তখন আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম আলাই সালাম নির্জন মরুভূমি পরিত্যাগ করে। তখন তার পায়ের আঘাতে জমজম কূপের উৎপত্তি হয় । মা হাজেরা কুপের চারপাশে চারটি পাথর দিয়ে সীমানা দিয়ে দেন । তা না হলে সারা পৃথিবীর জমজম কূপের পানি ছড়িয়ে পড়তো । পৃথিবীতে যে কোন কোম্পানি দীর্ঘদিন আবদ্ধ থাকার ফলে রং ও স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক । কিন্তু হাজার হাজার বছর অতিক্রম হওয়ার পরেও জমজম পানির রং ও সাধের কোন পরিবর্তন হয়নি । কোন নদীর সঙ্গে জমজম কূপের সঙ্গে যোগসূত্র নেই । অথচ কি পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হয় প্রতিদিনের সেটা আপনারা প্রথমে জানতে পেরেছে । এটা একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তার কুদরত।  এখানে লক্ষণীয় যে জমজম কূপ মরুভূমির মাঝখানে অবস্থিত এখানে পানির সন্ধান পাওয়া দুষ্কর।

I will give priority to your opinion. You can share business or online income with me. You can connect with me through the links below. Give your opinion.

0 comments:

Post a Comment

Contact Us

Phone :

+88 00000 000 000

Address :

Jamalpur, Mymensingh,
Bangladesh

Email :

zahangiralamjp@gmail.com