-->

Friday, February 21, 2020

প্রিয় নবী (সাঃ) এর লাশ মোবারক চুরির ঘটনা
তখন সময়টা ছিল হিজরী ৫৫৭ সাল এক রাতে সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর দীর্ঘ মোনাজাতের পর ঘুমিয়ে পড়েছেন । চারদিক নিরব নিস্তব্ধ । এমত অবস্থায় হঠাৎ তিনি স্বপ্নে দেখলেন স্বয়ং রাসুল সাঃ তার কামরায় উপস্থিত। তিনি দেখেন হুজুর পাক সাঃ দুজন নীল চোখ বিশিষ্ট লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন নুর উদ্দিন মাহমুদ এরা আমাকে বিরক্ত করছে ।
এ দুজন থেকে আমাকে মুক্ত করো । এই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখার পর নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে সাথে সাথে তার মাথায় বিভিন্ন প্রকার চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগল তিনি ভাবলেন আল্লাহর রাসূল তো এখন কবরের জীবনে ওনার সাথে অভিশপ্ত ইহুদিরা এমনকি ষড়যন্ত্র করতে পারে কি হতে পারে । কি হতে পারে তারেদ চক্রান্ত স্বরুপ। তারা কি রাসূল সাঃ এর কোন ক্ষতি করতে চায় আমাকে দু-জন ইহুদি চেহারা দেখানো হলো কেন শয়তান তো আল্লাহর নবীর চেহারায় আসতে পারে না তাহলে কি আমি সত্যি স্বপ্ন দেখেছি এসব ভাবতে ভাবতে সুলতান অস্থির হয়ে পড়লেন । তিনি ওজু গোসল সেরে তাড়াতাড়ি দু'রাকাত নামায আদায় করলেন । তারপর মহান আল্লাহর দরবারে ক্রন্দনরত অবস্থায় অনেকক্ষণ মোনাজাত করলেন। সুলতানের এমন কেউ ছিলো না যার সাথে তিনি পরামর্শ করবেন । আবার এসব এমন নয় যে যার তার কাছে তা ব্যক্ত করবেন অবশেষে আবারও তিনি সায়ন করলেন । দীর্ঘ সময় পর যখন তার একটু ঘুমের ভাব এলো সঙ্গে সঙ্গে তিনি এবারও প্রথম বারের ন্যায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলেন নুর উদ্দিন মাহমুদ এর দুজন থেকে আমাকে মুক্ত করো এবার নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু আল্লাহ আল্লাহ বলতে বলতে বিছানা থেকে উঠে বসলেন তারপর কোথায় যাবেন কি করবেন কিছুই ঠিক না করতে পেরে দ্রুত ওজু গোসল সেরে মুসল্লিতে অর্ধেক ভীতসন্ত্রস্ত দু'রাকাত নামায আদায় করলেন এবং দীর্ঘসময় অশ্রুসিক্ত নয়নে দোয়া করলে দাঁতের অংশ এখনো বাকি কি এক মহা বিপর্যয় যেন পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হতে যাচ্ছে কঠিন বিপদের ঘনঘটা যেন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি মুখ তুলে আকাশ পানে তাকালেন মনে হল স্বপ্ন দেখা ওই দুজন লোক যেন তাকে ধরার জন্য দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে । তিনি সেই চেহারা দুটিকে মনের মনিকোঠায় থেকে সরাবার চেষ্টা করলেন । কিন্তু কিছুতেই তা সম্ভব হলো না । শেষ পর্য্যন্ত নিরুপায় হয়ে নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর চোখ বন্ধ করে আবার তন্দ্রা বিভোর হয়ে শুয়ে পড়লেন আর তৃতীয়বার তিনি একই স্বপ্ন দেখলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ক্রন্দনরত অবস্থায় বিছানা পরিত্যাগ করলেন এবার তার বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই প্রিয় নবী সাঃ এর রওজা মোবারক এ কোন না কোন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে । তিনি খুব দ্রুত অজু গোসল করে ফজরের নামাজ আদায় করলে নামায শেষে প্রধানমন্ত্রী জালালউদ্দিন নিকট গিয়ে গোপনীয়তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি নিয়ে স্বপ্নের বিবরণ শোনালেন এবং এই মুহূর্তে কি কি করা যায় এ ব্যাপারে সুনিশ্চিত পরামর্শ চাইলেন জালালউদ্দিনের বৃত্তান্ত অবগত হয়ে বললেন হুজুর আপনি এখনো বসে আছেন নিশ্চয়ই প্রিয় নবীর রওজা মোবারক এ কোন কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তাই এ বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য বারবার তিনি আপনাকে স্মরণ করেছেন অতিসত্বর মদিনার পথে অগ্রসর হন ।নুরুদ্দিন জানকি আর কালবিলম্ব করলেন না । তিনি ১৬ হাজার অস্ত্র আরোহি সৈন্য নিয়ে এবং বাগদাত থেকে মদিনার অভিমুখে রওনা হলেন রাত দিন সফর করে ১৭তম দিনে মদীনা শরীফে পৌঁছালেন । দু'রাকাত নফল নামাজের দীর্ঘ সময় ধরে মোনাজাত করলেন । তারপর সৈন্যবাহিনী নিয়ে পুরো মদিনা গিরে ফেললেন সঙ্গে সঙ্গে আদেশ জারি করে দিলেন বাইরের লোক মদিনায় আসতে পারবেনা মদিনা থেকে কোউ বাইরে যেতে পারবেনা। তিনি জুম্মা নামাজে খুদবা দিয়ে ঘোষণা দিলেন আমি মদিনাবাসী কে দাওয়াত দিয়ে একবেলা খাওয়াতে চাই এবং বললেন সকলে যেন অংশগ্রহণ করেন । সুলতান মদিনাবাসী আপ্যায়নের জন্য বিশাল আয়োজন করলেন । মদিনার কোন লোক দাওয়াত থেকে বঞ্চিত না হয় নির্ধারিত সময় খাওয়া-দাওয়া শুরু হল যারা দূর-দূরান্ত থেকে আসতে পারিনি তাদেরকেও শেষ পর্যন্ত ঘোড়া ও গাধা পাঠিয়ে নিয়ে আসা হলো এভাবে প্রায় ১৫ দিন পর্যন্ত অগণিত লোক খানা তৃপ্ত সহকারে খাবার খেলে কিন্তু তিনি স্বপ্ন দেখা ওই দু'টি লোককে আর খুঁজে পেলেন না চিন্তার অথৈ সাগরে হারিয়ে গেলেন তিনি । যদি আর কোন লোক দাওয়াতে শরিক হতে বাকি না থাকে তাহলে সেই অভিশপ্ত লোকজন গেল কোথায়। আমিতো দাওয়াতে শরিক হওয়া প্রতিটি লোকটি অত্যান্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি কিন্তু কারো চেহারাই তো স্বপ্নে দেখার লোক দুটির চেহারার সাথে মিল খাচ্ছে না তাহলে কি আমার মিশন ব্যর্থ হবে তারপর আবারো তিনি নতুন করে ঘোষণা করলেন আমার দৃঢ়বিশ্বাস মদিনা সকল লোক এদের দাওয়াত খাওয়া এখনো শেষ হয়নি অতএব সবাইকে আবারো অনুরোধ করা যাচ্ছে । যারা এখনো আসেনি তাদেরকে যেন অনুসন্ধান করে দেওয়াতে শরিক করা হয় । একথা শ্রবণে মদিনাবাসী সকলেই একবাক্যে বলে উঠল হুজুর মদিনার আশেপাশে এমন কোন লোক বাকি নাই যারা আপনার দাওয়াত এ অংশগ্রহণ করেনি । তখন নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলিষ্ঠ কণ্ঠে বললেন আমি যা বলছি ঠিকই বলছি আপনারা ভালোভাবে অনুসন্ধান করুন সুলতানের এই দিনটা দেখে লক্ষাধিক জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি হঠাৎ করেই বলে উঠল । হুজুর আমার জানামতে দুজন লোক সম্ভবত এখনো বাকি আছে তারা আল্লাহর বুজুর্গ মানুষ । জীবনে কখনো কারো কাছ থেকে হাতিয়া তওফা গ্রহণ করেন না এমনকি কারো দাওয়াতে ও শরিক হন না । তারা নিজেরাই লোকেদেরকে অনেক দান-খয়রাত করে নীরবতাই অধিক পছন্দ করেন । লোক সমাজে উপস্থিত হওয়া মোটেও ভালোবাসেন না ।লোকটির বক্তব্য শুনে সুলতানের চেহারা একদিন বিদুৎ চমক খেলে গেলো তিনি কালবিলম্ব না করে কয়েকজন লোক সহকারে অঙ্ক দুটির আবাসস্থলে উপস্থিত হলে এই তো সেই দুইজন যাদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল । তাদেরকে দেখে সুলতানের দুচোখ রক্তবর্ণ ধারণ করলো তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কে তোমরা কোথা থেকে এসেছো তোমরা সুলতানের দাওয়াতে শরিক হলে না কেন । লোক দুটো নিজের পরিচয় গোপন করে বললেন, হজ্জ কার্য সমাধান করে জিয়ারতের নিয়তে রওজা শরীফে এসেছে কিন্তু প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রেমে আত্মহারা হয়ে ফিরে যেতে মন চাইলো না তাই বাকি জীবনটা রওজার নিকট কাটিয়ে দেওয়ার নিয়তেই সেখানে রয়ে গেছে আমরা কারো দাওয়াত গ্রহণ করি না এক আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা আমরা তাঁরই উপর নির্ভরশীল উপস্থিত জনগণ তাদের পক্ষ হয়ে বলল যে হুজুর এরা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে অবস্থান করছে এদের মত ভাল লোক আর হয়না সবসময় দরিদ্র এতিম ও অসহায় লোকদের প্রচুর পরিমাণে সাহায্য করেন । নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর লোকদের কথা শুনে লোকটি পুনরায় গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন অত্যন্ত সুক্ষভাবে তাদের থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করলেন এতে আবার তিনি নিশ্চিত হলেন বেরা তারাই যাদের তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এবার সুলতান গম্ভীর স্বরে তাদের বললেন সত্য কথা বলো তোমরা কে কেন কি হইছে এখানে এসেছ আবারও তারা পূর্বের কথায় পুনরাবৃত্তি করল সুলতান এবার কারো কথায় কান না দিয়ে তাদেরকে সেখানে আটক রাখার নির্দেশ দিলেন অতঃপর নিজে তাদের থাকার জায়গায় গিয়ে খুব ভালো করে অনুসন্ধান চালালে সেখানে অনেক মাল সম্পদ পাওয়া গেল গেল বহু দুর্লভ কিতাব পত্র কিন্তু এমন কোন জিনিস পাওয়া গেল না যা দ্বারা স্বপ্নের বিষয়ে কোন প্রকার সাহায্য হয় এখনো রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় তিনি সীমাহীন চিন্তিত । এদিকে মদিনার বহুলোক তাদের জন্য সুপারিশ করেছে । হুজুরেরা নেককার বুজুর্গ দিনভর রোজার আখেরাতের অধিক সময় ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি রওজা শরীফের নিকট এসে আদায় করে । প্রতিদিন নিয়মিত জান্নাতুল বাকি জিয়ারত করে যান। প্রতি শনিবার মসজিদে গমন করেন কেউ কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না । সুলতান তাদের অবস্থা শুনে সীমাহীন আশ্চর্য বোধ করলেন তথাপি তিনি ছাড়লেন না। কক্ষের অংশে অনুসন্ধানী দৃষ্টি ফিরিয়ে যাচ্ছেন । ঘরের প্রতিটি বস্তু কে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন কিন্তু সন্দেহ করার মত কিছুই তিনি পাচ্ছেন না । আচ্ছা তোমাদের নামাজের জায়নামাজটা একটু দেখি । সঙ্গীরা নির্দেশ পালন করল । নামাজের বিছানায় ছিল একটি চাটাইয়ের উপর সুলতান আবারো নির্দেশ দিলেন চাটাইয়ের পার্টির সরানোর । এরপর দেখা গেলো এখানে বিশাল পাথর সুলতানের তা সরানোর নির্দেশে দিলেন। পাথর সরানো পাওয়া গেল এমন একটি সুড়ঙ্গপথ যা বহুদূর পর্যন্ত চলে গেছে এমনকি তা পৌঁছে গেছে রওজা শরীফের অতি সন্নিকটে দৃশ্য অবলোকন করা মাত্রই নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বিজলী আহত ন্যায় চমকে উঠলেন অস্থিরতার কালো মেঘ ছেয়ে যায় তার সমস্ত হৃদয় আকাশে রোধে লাল হয়ে যায় গোটা মুখমণ্ডল অবশেষে লোকগুলো লক্ষ্য করে সিংহের ন্যায় গর্জন করে ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলেন, তোমরা পরিস্কার ভাষায় সত্যি কথাটা বল তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলো তোমরা কে কারা কি উদ্দেশ্যে তোমাদের এখানে পাঠিয়েছে সুলতানের কোথায় তারা ঘাবড়ে গেল। অধীন বিপদ সামনে থেকে আসল পরিচয় প্রকাশ করেন । দীর্ঘদিন যাবত আমাদেরকে মুসল শহরের ইহুদীরা সুদক্ষ কর্মী দ্বারা প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রচুর অর্থ সহকারে এখানে পাঠিয়েছে । আমাদেরকে এজন্য পাঠানো হয়েছে যে, আমরা যেন কোন উপায় মোহাম্মদ সাঃ এর সপদেহ বের করে ইউরিপিও ইহুদিদের হাতে হস্তান্তর করে এই দুরূহ কাজে সফল হলে আমাদেরকে আরো ধন-সম্পদ দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে । সুলতান বললেন তোমরা কিভাবে কাজ করতে । তারা বলল, রাত গভীর হলে অল্প পরিমাণ সুড়ঙ্গ খনন করে এবং চামড়ার গুদামে ভর্তি করে অতি সন্তর্পণে মদিনার বাইরে নিয়ে ফেলে আসা আজ দীর্ঘ তিন বছর যাবত যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজে আমরা অনবরত ব্যস্ত ছিলাম । যে সময় আমরা রওজা মোবারকের নিকট পৌঁছে গেলাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন করলাম যে । এক সপ্তার মধ্যে বিশ্বনবীর লাশ বের করে নিয়ে যাব । ঠিক সে সময় ধরে আমাদের মনে হল আকাশ যেন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে । জমিনে প্রচন্ড ভূমিকম্পের করে থর থর করে কাঁপছে যেন সমগ্র পৃথিবী জুড়ে মহাপ্রলয় সংঘটিত হচ্ছে অবস্থা এতটাই শোচনীয় রূপ ধারণ করল যে মনে হল সুরঙ্গ ভিতরে যেন আমরা সমাধিস্থ হয়ে পড়ব এই অবস্থায় প্রত্যক্ষ করে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে রেখেছি । তাদের বক্তব্যে সুলতানের নিকট সবকিছুই পরিষ্কার হয়ে গেল তাই তিনি লোক দুটোকে নজিরবিহীন শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন । যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর এই দুঃসাহস দেখাতে না পারে । তিনি মসজিদ হতে অর্ধমাস ধরে একটি বিশাল মঞ্চ তৈরি করলেন সাথে সাথে সংবাদ পাঠিয়ে মদিনা ও মদিনা আশেপাশের লোকেদেরকে উক্ত ময়দানে হাজির করার নির্দেশ প্রদান করলেন । নির্ধারিত সময় লক্ষ লক্ষ লোক উক্ত মাঠে সমবেত হল । সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অপরাধী দুটোকে লোহার শিকলে আবদ্ধ করে মঞ্চের উপর বসালেন । তারপর বিশাল জনসমুদ্রে মাঝে তাদের হীন চক্রান্ত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করলেন সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর বক্তব্য শ্রবণ করে লোকজন হতবাক হয়ে গেলেন তারা এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করল সুলতান বললেন হ্যাঁ এদের শাস্তি দৃষ্টান্তমূলক হবে তিনি লোকেদের বিপুল পরিমাণ সংগ্রহের নির্দেশ দিলেন তারপর লক্ষ জনতার সামনে এসেই ইহুদি দুটোকে মঞ্চের নিম্নভাগে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে ভস্ম করে ফেলেন । কোন কোন বর্ণনায় আছে সেই আগুন নাকি দীর্ঘ ১১ দিন পর্যন্ত চলেছিল অতঃপর তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে ১০০০ হাজার মণ সীশা গলিয়ে রওজা শরীফের চতুর্পাশে মজবুত প্রাচীর নির্মাণ করে দেন যেন ভবিষ্যতে আর কেউ প্রিয় নবীজির কবর পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম না হয় তারপর তিনি আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করলেন এবং তাকে এত বড় খেদমতের জন্য কবুল করা হলো সে জন্য সপ্তাহব্যাপী আনন্দ অশ্রু বিসর্জন দিলেন ইতিহাস থেকে জানা যায় যে নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ইন্তেকাল করলে ওসিউত মোতাবেক দাল্লাস রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রওজা মোবারকের অতি নিকটে দাফন করা হয় বন্ধুরা এই হলো ইহুদিদের চক্রান্ত।

My writings and videos are tailored just for your needs. What other topics would you like to write about or video on? Please comment your valuable feedback. You can join my social site.

0 comments:

Post a Comment

Contact Us

Phone :

+88 016 3670 21**

Address :

Jamalpur, Mymensingh,
Bangladesh

Email :

zahangiralamjp@gmail.com