-->

Wednesday, April 8, 2020

নারী জাতি বেশি পরিমানে জাহান্নামে যাবার কারণ কি?
আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে এবং রমযানের রোযা রাখবে স্বীয় গুপ্ত স্থানের হেফাজত করবে পর্দা রক্ষা করে এবং ব্যভিচার থেকে বিরত থাকে আর স্বামীর আনুগত্য করবে এমন নারীর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে যে দরজা ইচ্ছা সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে । এই হাদিসটি দ্বারা বোঝা যায় যে, মেয়েদের জন্য খুবই সহজ জান্নাত লাভ করা সম্ভব। অন্য একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন রাসূল সাঃ বলেছেন এই নারীগণ তোমরা দান সদকাহ বেশি বেশি করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো । কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদেরকে অধিকহারে দেখেছি এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন মহিলা প্রশ্ন করল ইয়ারাসুলাল্লা আমাদের কেন এই অবস্থা। কেন বা জাহান্নামে আমারা বেশি সংখ্যায় যাবো সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও । বলতে খারাপ শোনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তবচিত্র এইরকমই। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই হাদিসটি দ্বারা বুঝা যায় যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হবে নারী জাতি অথচ প্রথম হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে মেয়েদের জন্য জান্নাত গমন খুবই সোজা কিন্তু তবু কেন নারীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাহান্নামে যাবে আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখি নারীকে দেখেছি তারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্ত হলেও নিজ সন্তানদের অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই দুইটি সভাব পরিহার করতে হবে । অবশ্যই আর রাসূল সাঃ এর বলার উদ্দেশ্য তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে আবার অনেক স্বামী আছেন। যার নিজের স্ত্রী ছবি ফেসবুকে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে স্ত্রীকে সাজিয়ে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন আর পর পুরুষের সামনে বেপর্দা করছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ এর ভাষ্যমতে দায়িত্ব এই যে, যদি সে তার স্ত্রী কন্যাদের বেপর্দাভাবে চলাফেরা করা বন্ধ না করে তাদের অশ্লীলতা ব্যভিচারপূর্ণ রাখে যেসব ভাইয়েরা দাইয়ুছের কাতারে আছেন। আজই তারা তওবা করুন নিজেদের পরিবারের মহিলাদের বোঝান ও সর্তক হোন দিন। তারপরেও না বুঝলে বাধ্য করুন কেননা তাদের ব্যাপারে আপনাকে পরকালে জিজ্ঞাসা করা হবে। এমনকি আপনার জান্নাত ও জাহান্নাম অনেক অংশ তাদের উপর নির্ভর করছে কারণ তারা আপনার অধীনস্থ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিনজন আছেন যাদের দিকে মহান আল্লাহপাক কেয়ামতের দিন নজর দেবেন না। যে পিতা মাতার অবাধ্য যে নারীর বেশভূষা পোশাক পরিধান পুরুষের অনুকরণ করে এবং দাইয়ুস ব্যক্তি আর নাসাঈ শরীফ হাদিস নং ২৫৬২ আর যে ব্যক্তি তার পরিবারের প্রশ্রয় দেয় তাকে দাইয়ুছ বলে অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী সন্তানদের বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা সুযোগ দেয় তাকে দাইয়ুস বলা হয়।

আপনার স্ত্রী-কন্যাদের বেপর্দায় ছেড়ে দেবেন তারা যা ইচ্ছা করবে বেপর্দায় চলবে এবং আপনি তার কারণে গুনাহগার হবেন না আপনি যদি তাদেরকে আল্লাহর ভয় না দেখান এবং বেপর্দায় চলতে বাধা না দেন তাহলে আপনিও গুনাগার হবেন কারণ তাদের দায়িত্ব আপনার উপর রাসূল সাঃ বলেন, 
তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল তোমাদের প্রত্যেককেই দায়িত্ব পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। হাদিস নং ২৪০০। 
বন্ধুরা আমাদের সমাজে আজকাল কার বেপর্দায় চলে সমাজের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে তো বন্ধুরা এই লেখাটি আপনাদের ফ্যামিলি মেম্বার যারা আছে তাদেরকে সবাইকে শেয়ার করে পর্দায় আনা এবং যেসব গুনাহের কাজ গুলো এসব থেকে বিরত রাখার জন্য এই লেখাটি বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।

My writings and videos are tailored just for your needs. What other topics would you like to write about or video on? Please comment your valuable feedback. You can join my social site.

0 comments:

Post a Comment

Contact Us

Phone :

+88 016 3670 21**

Address :

Jamalpur, Mymensingh,
Bangladesh

Email :

zahangiralamjp@gmail.com