-->

Welcome!

I am Entrepreneur Designer Developer

View Work Hire Me!

About Me

Entrepreneur
Web Design/Development
SEO, Digital Marketing
Who am i

Zahangir Alam

Digital Entrepreneurship

Recently, I did Honors and Masters in Sociology from DIU. In addition to studying, I am working on an online platform.

I dream of spending myself for the welfare of others. I am fascinated by Islamic ideology and thought. My prayers, my sacrifices, and my life and death are for Allah, the Lord of the worlds.

Services

Entrepreneur

Our dream of establishing ourselves as a successful Entrepreneur has been with us since childhood.

Web Development

I did the Web Development and Design course from ict + organization. I also worked online for a few days.

Branding

I am working as a Branding of Limonia Industries Limited. At present I am the head of Mymensingh division.

Marketing

We have been working on affiliate marketing, CPA marketing and social media marketing for the last 3years.

Our Blog

Showing posts with label ইসলাম. Show all posts
Showing posts with label ইসলাম. Show all posts

রোজা পালন না করলে যে ভয়ংকর শাস্তি অপেক্ষা করছে?

রোজা একটি নির্ধারিত বয়সের পর থেকে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ করা হয়েছে । এর প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ তাআলা নিজের হাতেই প্রদান করবেন । তবে রমজান মাসে যারা এই ফরজ ইবাদত থেকে দূরে থাকবেন । তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি । হযরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন. আমি ঘুমিয়েছিলাম স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যক্তি আগমন করল তারা আমাকে একটি বড় পাহাড়ের সামনে নিয়ে গেল আপনি পাহাড়ে উঠুন আমি বললাম আমি পড়তে পারব না তারা বলল আমরা আপনাকে সহজ করে দিব অর্থাৎ আমরা আপনাকে সাহায্য করব । 
আমি উপরে উঠলাম যখন পাহাড়ের উচুতে পৌছলাম হঠাৎ ভয়ংকর আওয়াজ শুনতে পেলাম । তারপর তারা আমাকে নিয়ে এগিয়ে চলল। দেখলোম কিছু মানুষের পায়ের মাংসপেশীর  ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং তাদের মুখের দুই প্রান্ত ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে তা থেকে রক্ত ঝরছে । আমি বললাম এরা কারা, যারা ইফতারের সময় হওয়ার আগেই রোজা ভেঙ্গে ফেলে । বন্ধুরা এই হাদীস থেকে আমরা স্পষ্ট হয়ে গেছি যে, রোজা ভঙ্গ করা ফরজ রোজা না রাখার কি ভয়ঙ্কর শাস্তি হতে পারে । যাদেরকে পায়ের মাংসপেশীর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে অর্থাৎ তাদেরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে পৃথিবীতে তুলনা আমরা উল্টো ভাবে কতক্ষণ থাকতে পারি এক মিনিট ২ মিনিট তারপরেই আমাদের মাথাসহ মুখ লাল হয়ে যায় । অর্থাৎ পুরো শরীরের রক্ত মাথায় এসে জমা হতে থাকে। বেশীক্ষন উল্টো হয়ে থাকলে মানুষ মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক । এতে করে হার্টের শক্তি কমে যায় । ফলে আস্তে আস্তে মাথায় রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে তো বন্ধুরা এতো জাহান্নামের আগুন অর্থাৎ জাহান্নামের শাস্তি আগুনের মধ্যে হয়ে থাকে তার উপরে আবার পায়ের মাংসপেশীর উপরের দিকে দিয়ে ঝুলানো এবং মুখের দুই প্রান্ত ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে যে পরিমাণ ভয়ঙ্কর শাস্তি তা আপনারা এই হাদীসটি মাধ্যমে বুঝতে পারতেছেন । এখন একজন মুফতীর কথা বলব,  তিনি হচ্ছেন মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী কিছুদিন আগে উনার উপর পাকিস্তানের হামলা হয় । ওনার সাথে থাকা দুইজন লোক মারা যায় কিন্তু উনাকে আল্লাহ তাআলা অলৌকিক ভাবে বাঁচিয়ে দেন । উনি কত বড় আলেমদার আপনারা ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই দেখতে পাবেন । তো বন্ধুরা চলুন উনি রমজান সম্পর্কে কিছু মূল্যবান কথা বর্ণনা করেছেন, রমজানকে শুধু রোজা ও তারাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলবেন না বরং প্রথম থেকেই নিয়ত করুন আমি রমজানে একটাও ভুল করব না । তাহলে ইনশাআল্লাহ রমজান আমাদের জীবনে খুবই সুন্দর পরিবর্তন নিয়ে আসবে । আল্লাহ তাআলার হুকুমেই রোজা রাখলেন কিছু হারাম খাওয়া ছাড়লেন না। মিথ্যা কথা বললেন। বেগানা নারীকে কৃদৃষ্টিতে তাকালেন। তাহলে রোজা রেখে নিজেকে কিভারে পরিবতর্ন করলেন।  কাউকে ধোঁকা দিয়ে উপার্জন করা হয়েছে যা কোন নাজায়েজ পদ্ধতিতে ইনকাম করা হয়েছে । রোজা রাখলেন না খেয়ে আর ইফতার করলেন হারাম দিয়ে এটাতো অনেক আফসোসের কথা এর দ্বারা কিভাবে তাকওয়া অর্জন হবে । সিরাম/রোজা পালন করুন  আল্লাহ তাআলার সন্তুতির উদ্দ্যেশে।  আল্লাহ তাআলার আমাদের হেদায়েত দান করুন।

নারী জাতি বেশি পরিমানে জাহান্নামে যাবার কারণ কি?

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে এবং রমযানের রোযা রাখবে স্বীয় গুপ্ত স্থানের হেফাজত করবে পর্দা রক্ষা করে এবং ব্যভিচার থেকে বিরত থাকে আর স্বামীর আনুগত্য করবে এমন নারীর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে যে দরজা ইচ্ছা সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে । এই হাদিসটি দ্বারা বোঝা যায় যে, মেয়েদের জন্য খুবই সহজ জান্নাত লাভ করা সম্ভব। অন্য একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন রাসূল সাঃ বলেছেন এই নারীগণ তোমরা দান সদকাহ বেশি বেশি করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো । কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদেরকে অধিকহারে দেখেছি এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন মহিলা প্রশ্ন করল ইয়ারাসুলাল্লা আমাদের কেন এই অবস্থা। কেন বা জাহান্নামে আমারা বেশি সংখ্যায় যাবো সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও । বলতে খারাপ শোনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তবচিত্র এইরকমই। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই হাদিসটি দ্বারা বুঝা যায় যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হবে নারী জাতি অথচ প্রথম হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে মেয়েদের জন্য জান্নাত গমন খুবই সোজা কিন্তু তবু কেন নারীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাহান্নামে যাবে আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখি নারীকে দেখেছি তারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্ত হলেও নিজ সন্তানদের অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই দুইটি সভাব পরিহার করতে হবে । অবশ্যই আর রাসূল সাঃ এর বলার উদ্দেশ্য তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে আবার অনেক স্বামী আছেন। যার নিজের স্ত্রী ছবি ফেসবুকে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে স্ত্রীকে সাজিয়ে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন আর পর পুরুষের সামনে বেপর্দা করছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ এর ভাষ্যমতে দায়িত্ব এই যে, যদি সে তার স্ত্রী কন্যাদের বেপর্দাভাবে চলাফেরা করা বন্ধ না করে তাদের অশ্লীলতা ব্যভিচারপূর্ণ রাখে যেসব ভাইয়েরা দাইয়ুছের কাতারে আছেন। আজই তারা তওবা করুন নিজেদের পরিবারের মহিলাদের বোঝান ও সর্তক হোন দিন। তারপরেও না বুঝলে বাধ্য করুন কেননা তাদের ব্যাপারে আপনাকে পরকালে জিজ্ঞাসা করা হবে। এমনকি আপনার জান্নাত ও জাহান্নাম অনেক অংশ তাদের উপর নির্ভর করছে কারণ তারা আপনার অধীনস্থ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিনজন আছেন যাদের দিকে মহান আল্লাহপাক কেয়ামতের দিন নজর দেবেন না। যে পিতা মাতার অবাধ্য যে নারীর বেশভূষা পোশাক পরিধান পুরুষের অনুকরণ করে এবং দাইয়ুস ব্যক্তি আর নাসাঈ শরীফ হাদিস নং ২৫৬২ আর যে ব্যক্তি তার পরিবারের প্রশ্রয় দেয় তাকে দাইয়ুছ বলে অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী সন্তানদের বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা সুযোগ দেয় তাকে দাইয়ুস বলা হয়।

আপনার স্ত্রী-কন্যাদের বেপর্দায় ছেড়ে দেবেন তারা যা ইচ্ছা করবে বেপর্দায় চলবে এবং আপনি তার কারণে গুনাহগার হবেন না আপনি যদি তাদেরকে আল্লাহর ভয় না দেখান এবং বেপর্দায় চলতে বাধা না দেন তাহলে আপনিও গুনাগার হবেন কারণ তাদের দায়িত্ব আপনার উপর রাসূল সাঃ বলেন, 
তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল তোমাদের প্রত্যেককেই দায়িত্ব পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। হাদিস নং ২৪০০। 
বন্ধুরা আমাদের সমাজে আজকাল কার বেপর্দায় চলে সমাজের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে তো বন্ধুরা এই লেখাটি আপনাদের ফ্যামিলি মেম্বার যারা আছে তাদেরকে সবাইকে শেয়ার করে পর্দায় আনা এবং যেসব গুনাহের কাজ গুলো এসব থেকে বিরত রাখার জন্য এই লেখাটি বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।

দৃষ্টিপাত- জমজম পানির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

জমজমের পানির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে জানব তার আগে বন্ধুরা চলুন জেনে আসি জমজম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা । পবিত্র কাবা ঘর থেকে মাত্র ২১ মিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত জমজম কূপ । বর্তমানে এটি মসজিদের ভেতরের আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে । তার ওপর তৈরি করে একটি শক্তিশালী পাম্পিং মেশিন বসানো হয়েছে ।
সে মেশিনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা হয় । তো বন্ধুরা চলুন এই মেশিনটা কতটা ক্ষমতা সম্পন্ন একটু জানার চেষ্টা করি । জমজম পানি পর্যায়ে ভূপৃষ্টের ১০.৬ নিচে এটা আল্লাহর কুদরতে যে, জমজম ক্রমাগত প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার হারে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে করা হয় তখন পানির পর্যায়ের প্রায় ৪০ ফুট নিচে নেমে যায় কিন্তু যখন করা বন্ধ করা হয় । তখন পর্যায়ে দ্রুত ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ উচ্চতায় ফিরে আসে । প্রতি সেকেন্ডে যদি ৮০০০ লিটার হয় অর্থাৎ প্রতি মিনিটে হবে এটি চালু প্রতি মিনিটে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার লিটার। ২৮ পয়েন্ট ৮ মিলিয়ন লিটার প্রতি ঘন্টায়। মানে হচ্ছে ৬৯১.২ মিলিয়ন লিটার প্রতিদিন পানি উত্তোলন করা হয়  জমজম কূপ থেকে । পান করে কিন্তু এটা কেবল মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় এখানে দুইটা আল্লাহ তাআলার প্রথম জমজম পানি দ্রুত পুনঃভর্তি হয় আল্লাহ তায়ালার কুদরতের বাইরে কোনো অতিরিক্ত জমজম পানি নিক্ষেপ করে না । পবিত্র কুরআনে বলেন জমজম কূপের পানি আল্লাহ তাআলার রহমত স্বরূপ তিনি হচ্ছেন জাপানের বিজ্ঞানীরা মাশারি ই মটর বলেছেন যে একটি বইতে বলেছেন আকাশ থেকে পড়া তুষারকণা হচ্ছে অনন্য তার বৈজ্ঞানিক অনুভূতিটাকে বলছিল যে এটা সত্য হতে পারে না ।

তুষারকণা জ্যামিতিক আকারের এর রাসায়নিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয় । এই বিজ্ঞানী বলেছিলেন যে পানির গঠন সু-পরিচিতি । হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত হয় তাই আকাশ থেকে পড়া তুষারগুলো একে অন্য থেকে আলাদা কিভাবে হতে পারে । আমি মানসিকতা বদ্ধ ছিলাম যে এই তথ্যকে কিভাবে ভুল প্রমাণ করব তিনি একটি গবেষণাগার তৈরি করেছিলেন । যাতে একটি রেগুলেটর আরেকটি ডিপ ফ্রিজ ছিল যেহেতু কোন তরলপদার্থ যদি হঠাৎ করেই জমাটবদ্ধ করা হয় তাহলে এটি জ্যামিতিক আকার ধারণ করতে পারে না । জমাটবাঁধা অবশ্যই ধীরে হতে হবে । যাতে করে পরমাণুগুলো বিধাতার দ্বারা নির্ধারিত আকারে ক্রিস্টালাইজেশন বা ইসফুটিকায়ন হবার সুযোগ লাভ করে । একটি রেগুলেটর সহ একটি ডিপফ্রিজ  ছিল মাইনস ৭ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটি ঠান্ডা কক্ষ এবং ক্যামেরা দ্বারা সুসজ্জিত কতগুলো অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছিল । যাতে করে তুষারকণা গলে যাওয়ার আগে এগুলোর ছবি গ্রহণ করা যায় । বিজ্ঞানীরা এই কক্ষে গরম কাপড় পড়ে শুরু করেন । তিনি বলেছেন আমি গবেষণায় ২টি নলের থেকে নমুনা নিয়েছিলাম । আমি এদের জমাট করি এবং প্রতিটি নমুনা আমাকে একটি আলাদা তুষারকণা দিয়েছিল । নমুনা গুলো দুটি আলাদা কুপের থেকে দুটি আলাদা নদী থেকে দুটি আলাদা হ্রদ থেকে আমি গ্রহণ করেছিলাম । আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম এবং ভেবেছিলাম এটি একটি জাদুমন্ত্র । টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত একজন সেীদির ছাত্রের সাথে হঠাৎ করেই তার দেখা হয়ে বিজ্ঞানিও তার সমস্যা সম্পর্কে  বলে ছাত্রটি তাকে বলে যে আমাদের এক ধরনের পানীয় রয়েছে যাকে জমজম পানি বলা হয় আমি আপনাকে এই পানির নমুনা দেবো যাতে করে আপনি ওর উপর পরীক্ষা চালাতে পারেন । জমজমের পানি জাদু মন্ত্র বা জিন দ্বারা প্রভাবিত হয় না । তাই এটা ব্যবহার করা হলে সমগ্র তত্ত্বের প্রমাণ সত্য বা মিথ্যা সাব্যস্ত করবেন । ইমটো জমজমের পানির একটি নমুনা নিলেন তিনি বলেছেন আমি এটাকে ক্রিস্টালাইজেশন বা ইসফুটিকায়ন করতে পারিনি এমনকি পর্যন্ত পানিতে ১০০ ভাগ পাতলা করার পরেও অন্য কথায় তিনি এক ঘন সেন্টিমিটার কে এক লিটারে রূপান্তরিত করেন । তিনি বলেন যে, তিনি যখন পানি ১ হাজার ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন এক অনবদ্য আকারের স্পোর্টিং ক্লাব করেন । দুই স্পোর্টিং গঠিত হয় একটি অপরটির উপর কিন্তু এগুলো একটি অন্যটির আকার গ্রহণ করেন । যখন তিনি তার মুসলিম সহকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেন । কেন দুটি স্পোর্টিং হলো যেহেতু জমজম দুটি শব্দ দ্বারা গঠিত এবং মাসরি ই মাটর বলেন, আমার মুসলিম সহকর্মী পানির উপর কোরআনের আয়াত পাঠ করার প্রস্তাব দেয় । সে একটি টেপ রেকর্ডার নিয়ে আসে এবং কতগুলো কোরআনের আয়াত বাজান এবং আমরা সবচাইতে নিখুঁত আকৃতির স্ফটিক লাভ করি । তারপর সে আল্লাহ সর্বশক্তিমান ৯৯ টি নাম বাজায় প্রতিটি নামে একটি অনবদ্য আকারের স্পোর্টিং তৈরি হয় । যখন ড. ই মটো পরীক্ষা সম্পন্ন করেন যা ১৫বছর স্থায়ী হয়েছিল তিনি একটি পছন্দের বই নির্মাণ করেন যার নাম হচ্ছে পানি থেকে বর্ধমান তিনি লেখেন আমি প্রমাণ করেছি ওই বিশেষ তরলটি চিন্তা করার মাপার বা বোধ করার উত্তেজিত হওয়ার এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে । ডক্টর  মাসরি এ মটো নিম্নোক্তভাবে লিখেছেন জমজম পানির গুন বিশুদ্ধতা এই পৃথিবীর অন্য কোথাও পানিতে এর যা গুন বিশুদ্ধতায় আছে তা অন্য পানিতে পাওয়া যাবে না । তিনি নানো প্রযুক্তি ব্যবহার করেন এবং জমজম পানির ওপর প্রচুর গবেষণা করেন এবং দেখতে পান যে যদি জমজম পানির ফোঁটা নিয়মিত পানির ১০০০ ফোটাতে মিশ্রিত হয় তবুও নিয়মিত পানি জমজম পানির মতোই সমান গুন লাভ করবে । তিনি আরো দেখতে পান যে জমজম পানির একফোঁটা তে একটি খনিজ পদার্থের নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে । যায় এই পৃথিবীর অন্য কোন পানিতে পাওয়া যাবে না । তিনি কিছু পরীক্ষাতে দেখতে পান যে জমজম পানির গুণ বা উপকরণ পরিবর্তন করা যায় না । কেন বিজ্ঞান এর কারণ জানে না । এমনকি তিনি জমজম পানির  ‍পূণ প্রক্রিয়াজাতকরণ করেন কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয়নি । এটা কোন বিশুদ্ধ ছিল এই বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে মুসলমানরা খাওয়া বা পান করার আগে বিসমিল্লাহ বলে । তিনি বলেন যে নিয়মিত পানিতে বিসমিল্লাহ বলা হলে এর ফলে নিয়মিত পানির গুণের কতগুলো অদ্ভুত পরিবর্তন ঘটে । সুবাহানাল্লাহ এর ফলে এটা সর্বোত্তম পানি হয় । তিনি আরো দেখতে পান যে যদি নিয়মিত পানির উপর কোরআন পাঠ করা হয় তাহলে এটি বিভিন্ন ভেধি চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা লাভ করে । সুবাহান আল্লাহ। নিশ্চয়ই আল্লাহর এটা একটি ক্ষুদ্র । আজ থেকে প্রায় ৪০০০ বছর আগে শিশু ইসমাইল (রাঃ) ও তার মাকে রেখে তখন আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম আলাই সালাম নির্জন মরুভূমি পরিত্যাগ করে। তখন তার পায়ের আঘাতে জমজম কূপের উৎপত্তি হয় । মা হাজেরা কুপের চারপাশে চারটি পাথর দিয়ে সীমানা দিয়ে দেন । তা না হলে সারা পৃথিবীর জমজম কূপের পানি ছড়িয়ে পড়তো । পৃথিবীতে যে কোন কোম্পানি দীর্ঘদিন আবদ্ধ থাকার ফলে রং ও স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক । কিন্তু হাজার হাজার বছর অতিক্রম হওয়ার পরেও জমজম পানির রং ও সাধের কোন পরিবর্তন হয়নি । কোন নদীর সঙ্গে জমজম কূপের সঙ্গে যোগসূত্র নেই । অথচ কি পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হয় প্রতিদিনের সেটা আপনারা প্রথমে জানতে পেরেছে । এটা একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তার কুদরত।  এখানে লক্ষণীয় যে জমজম কূপ মরুভূমির মাঝখানে অবস্থিত এখানে পানির সন্ধান পাওয়া দুষ্কর।

রোজা নিয়ে গবেষণা এরপর নোবেল জয়

অনেক নাস্তিক বলতে পারে যে ,রোজা রাখা মানে হচ্ছে নিজেকে কষ্ট দেওয়া একজন বিজ্ঞানী এ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন । বিজ্ঞান কি বলে রোজা রাখা সম্পর্কে সেটাই ্এই লেখাটির মাধ্যমে জানার চেষ্টা করবো তার আগে বলে নেই আমরা মুসলমানরা রোজা রাখি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই । আল্লাহর আদেশ মানার জন্য। বিজ্ঞানের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকো ।
আল্লাহ তাআলার আদেশ মানার জন্যই আমরা মুসলমানরা রেখে থাকি । যে রোজা রাখা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ১৫ বছর আগে বলা হয়েছে, আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুর'আনে বলেনঃ হে ঈমানদারগণ তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পারো । সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৩ । খুব বেশিদিন হয়নি সম্প্রতি মেডিকেল সাইন্স অটোফেজি সাথে পরিচিত হয়েছে ২০১৬ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পেয়েছেন জাপানের  ইয়শিনড়ি অহসুমি । প্রাণী কোষ কিভাবে নিজের উপাদানকে পূর্ণ প্রক্রিয়াজাত করে তা আবিস্কারের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয় ইয়োশিনোরি ওসুমি দেখিয়েছেন পূর্ন প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে কিভাবে সুস্থ থাকে সুইডেনের নোবেল কমিটি বলে ক্যান্সার থেকে শুরু করে পারকিন্সন্স এর মত জটিল রোগ কেন হয় তা বুঝতেই এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার পান অর্থাৎ ৮০ লাখ টাকা পান । এখন আসি বন্ধুরা অটোফেজি।  অটোফেজি শব্দটি গ্রিক শব্দ। অটো অর্থ নিজে নিজে এবং ফেজি অর্থ খাওয়া সুতরাং অটোফেজি মানে হচ্ছে নিজে নিজেকে খাওয়া । না মেডিকেল সাইন্স নিজের কোষ তো নিজে খেতে বলে না । শরীরের কোষগুলো যখন বাইরে থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলোকে খেতে শুরু করে তখন মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয় । আরেকটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি, আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে অথবা আমাদের কম্পিউটার যেমন রিসাইকেল বিন থাকে তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন । আছে সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে ডাসবিন পরিষ্কার করার সময় পায়না । ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায় । শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাসবিন পরিষ্কার করতে না পারে । তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগ উৎপন্ন করে । ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মতো অনেক বড় বড় শুরু হয় এখান থেকেই । মানুষ যখন খালি পেটে থাকে তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটাই বেকার হয়ে পড়ে কিন্তু তারা তো আর বসে থাকে না । তাই প্রতিটি কোষ দ্বারা ভিতরের আবর্জনা ও ময়লা পরিষ্কার করতে শুরু করে । কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজেরাই আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে মেডিকেল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি । ওশিনরি ওসুমি কে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় কি পরিমাণ সময় না খেয়ে থাকলে এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয় তখন তিনি বলেন বছরে ২০ থেকে ২৫ দিন সময় । এই কথাটিই আল্লাহ তাআলা বছর আগে পবিত্র কোরআনে বলে দিয়েছে ।

অবাক হবেন- আমাজন বনের ১৫টি রহস্য

অ্যামাজন একটি চমৎকার জায়গায় । এই বনে আছে এমন অদ্ভুত সব জিনিস যা হয়তো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না । আপনি কি জানেন বিশ্বের সুমিষ্ট পানির বিশাল উৎস আমাজন। অ্যামাজন নদীর পানি প্রবাহ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব৮টি নদীর পানি প্রবাহের সমষ্টির চেয়েও বেশি অথবা আপনি কি এটা জানেন অ্যামাজন রেইনফরেস্টে আছে মিলিয়নের বেশি প্রজাতির জীব জন্তু এমন আরও অজানা তথ্য আজকে আমরা জেনে নেব। ১. নিউওয়াক শহরে ১২ বছরে যত পানি ব্যবহার হয় অ্যামাজন নদীতে তার চেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় এক মিনিটে । 
পৃথিবীর যাবতীয় পরিচ্ছন্ন পানির ২০ ভাগ বয়ে চলেছে এক নদীতে । ২. এতই বিশাল জীববৈচিত্র্যপূর্ণ বন্ধের একটিমাত্র লতায় জুলে থাকতে পারে বহু প্রজাতির পিপড়া। যা হয়তো সমগ্র ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের নেই । ৩.  অ্যামাজনে আছে তিন হাজার প্রকারের ফল হবে খাওয়ার যোগ্য ফল আছে মাত্র ২০০ প্রকারের অ্যামাজনের নামের পেছনে আছে একটি গল্প, ফ্রানসিকো অরসক্লাবের এক রাজাকে আক্রামন করে এক নারী যোদ্ধার নাম রাখেন আমাজন। গ্রিক পুরআনের অ্যামাজনের নামের সেখান থেকেই কালক্রমে বন ও নদীর নাম হয় অ্যামাজন । এই বনে ১০ মিলিয়ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে এর মধ্যে আছে ৪০ হাজার প্রজাতির গাছ ১৩ হাজার প্রজাতির পাখি এবং তিন হাজার প্রজাতির মাছ এবং ২.৫ মিলিয়ন বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড় । ৬. একসময় হেনরি ফোর্ড অ্যামাজনের রাবার চাষের উদ্দেশ্যে একটি ওয়ার্কার হাউজ তৈরি করেন এখন সেইটা পরিত্যক্ত ভূতের বাড়ি হিসাবে পরিচিত ৭. আমাজনে ৩০০ পাউন্ড ওজনে এরাপিয়ান মান বাস করে অ্যামাজনে । এর গায়ের চামড়া বর্মের মত শক্ত যার কারনে সে নিরাপদে থাকে মাংশাসি পীরহানার কামড় থেকে আর সাহারা মরুভূমির থেকে প্রতিবছর ৪০ মিলিয়ন টন বালি উড়ে আসে অ্যামাজনে। ৯. অ্যামাজনে এমন অনেক আদিবাসী গোষ্ঠী আছে বহির্বিশ্বের সাথে যাদের কোন যোগাযোগ নেই কিছু বিজ্ঞানী আছে যারা চান না এদের আবিষ্কার করা হোক । ১০. বলা হয় আমাজনে একটি দ্রত্যকৃত ফলের বাগান বিকাশিত হয়েছে ৩ হাজার বছর আগে । ১১. অ্যামাজন নদী থেকে এত পরিমান সুমিষ্ট পানি সমুদ্রে গিয়ে মেশে যে প্রায় ১০০ মাইল পর্যন্ত সমুদ্রের পানি লবনাক্ত কম হতে থাকে । ১২.  অ্যামাজন নদীর মুখ এতই বিশাল যে তার নিকটবর্তী মাঝারি ওকে ডুবিয়ে দেয় মজার বিষয় কি জানেন মাঝারি ও এর আকৃতি সুইজারল্যান্ড এর সমান। ১৩. পৃথিবীর অক্সিজেনের ২০% অ্যামাজন থেকে।  ১৪ বিজ্ঞানী টেরাপেটা বা কালো মাটির সন্ধান পেয়েছেন যা অ্যামাজনের বেশ বড় অংশকে ঢেকে রেখেছে তারা মনে করে এখানে গড়ে ওঠা সভ্যতা এই মাটির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। ১৫. অ্যামাজন নদী একসময় প্রবাহিত হতো প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে ওদের মুখ বদলে এটি এখন প্রবাহিত হয় আটলানটিক মহাসাগরের দিকে।

প্রিয় নবী (সাঃ) এর লাশ মোবারক চুরির ঘটনা

তখন সময়টা ছিল হিজরী ৫৫৭ সাল এক রাতে সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর দীর্ঘ মোনাজাতের পর ঘুমিয়ে পড়েছেন । চারদিক নিরব নিস্তব্ধ । এমত অবস্থায় হঠাৎ তিনি স্বপ্নে দেখলেন স্বয়ং রাসুল সাঃ তার কামরায় উপস্থিত। তিনি দেখেন হুজুর পাক সাঃ দুজন নীল চোখ বিশিষ্ট লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন নুর উদ্দিন মাহমুদ এরা আমাকে বিরক্ত করছে ।
এ দুজন থেকে আমাকে মুক্ত করো । এই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখার পর নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে সাথে সাথে তার মাথায় বিভিন্ন প্রকার চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগল তিনি ভাবলেন আল্লাহর রাসূল তো এখন কবরের জীবনে ওনার সাথে অভিশপ্ত ইহুদিরা এমনকি ষড়যন্ত্র করতে পারে কি হতে পারে । কি হতে পারে তারেদ চক্রান্ত স্বরুপ। তারা কি রাসূল সাঃ এর কোন ক্ষতি করতে চায় আমাকে দু-জন ইহুদি চেহারা দেখানো হলো কেন শয়তান তো আল্লাহর নবীর চেহারায় আসতে পারে না তাহলে কি আমি সত্যি স্বপ্ন দেখেছি এসব ভাবতে ভাবতে সুলতান অস্থির হয়ে পড়লেন । তিনি ওজু গোসল সেরে তাড়াতাড়ি দু'রাকাত নামায আদায় করলেন । তারপর মহান আল্লাহর দরবারে ক্রন্দনরত অবস্থায় অনেকক্ষণ মোনাজাত করলেন। সুলতানের এমন কেউ ছিলো না যার সাথে তিনি পরামর্শ করবেন । আবার এসব এমন নয় যে যার তার কাছে তা ব্যক্ত করবেন অবশেষে আবারও তিনি সায়ন করলেন । দীর্ঘ সময় পর যখন তার একটু ঘুমের ভাব এলো সঙ্গে সঙ্গে তিনি এবারও প্রথম বারের ন্যায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলেন নুর উদ্দিন মাহমুদ এর দুজন থেকে আমাকে মুক্ত করো এবার নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু আল্লাহ আল্লাহ বলতে বলতে বিছানা থেকে উঠে বসলেন তারপর কোথায় যাবেন কি করবেন কিছুই ঠিক না করতে পেরে দ্রুত ওজু গোসল সেরে মুসল্লিতে অর্ধেক ভীতসন্ত্রস্ত দু'রাকাত নামায আদায় করলেন এবং দীর্ঘসময় অশ্রুসিক্ত নয়নে দোয়া করলে দাঁতের অংশ এখনো বাকি কি এক মহা বিপর্যয় যেন পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হতে যাচ্ছে কঠিন বিপদের ঘনঘটা যেন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি মুখ তুলে আকাশ পানে তাকালেন মনে হল স্বপ্ন দেখা ওই দুজন লোক যেন তাকে ধরার জন্য দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে । তিনি সেই চেহারা দুটিকে মনের মনিকোঠায় থেকে সরাবার চেষ্টা করলেন । কিন্তু কিছুতেই তা সম্ভব হলো না । শেষ পর্য্যন্ত নিরুপায় হয়ে নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর চোখ বন্ধ করে আবার তন্দ্রা বিভোর হয়ে শুয়ে পড়লেন আর তৃতীয়বার তিনি একই স্বপ্ন দেখলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ক্রন্দনরত অবস্থায় বিছানা পরিত্যাগ করলেন এবার তার বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই প্রিয় নবী সাঃ এর রওজা মোবারক এ কোন না কোন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে । তিনি খুব দ্রুত অজু গোসল করে ফজরের নামাজ আদায় করলে নামায শেষে প্রধানমন্ত্রী জালালউদ্দিন নিকট গিয়ে গোপনীয়তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি নিয়ে স্বপ্নের বিবরণ শোনালেন এবং এই মুহূর্তে কি কি করা যায় এ ব্যাপারে সুনিশ্চিত পরামর্শ চাইলেন জালালউদ্দিনের বৃত্তান্ত অবগত হয়ে বললেন হুজুর আপনি এখনো বসে আছেন নিশ্চয়ই প্রিয় নবীর রওজা মোবারক এ কোন কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তাই এ বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য বারবার তিনি আপনাকে স্মরণ করেছেন অতিসত্বর মদিনার পথে অগ্রসর হন ।নুরুদ্দিন জানকি আর কালবিলম্ব করলেন না । তিনি ১৬ হাজার অস্ত্র আরোহি সৈন্য নিয়ে এবং বাগদাত থেকে মদিনার অভিমুখে রওনা হলেন রাত দিন সফর করে ১৭তম দিনে মদীনা শরীফে পৌঁছালেন । দু'রাকাত নফল নামাজের দীর্ঘ সময় ধরে মোনাজাত করলেন । তারপর সৈন্যবাহিনী নিয়ে পুরো মদিনা গিরে ফেললেন সঙ্গে সঙ্গে আদেশ জারি করে দিলেন বাইরের লোক মদিনায় আসতে পারবেনা মদিনা থেকে কোউ বাইরে যেতে পারবেনা। তিনি জুম্মা নামাজে খুদবা দিয়ে ঘোষণা দিলেন আমি মদিনাবাসী কে দাওয়াত দিয়ে একবেলা খাওয়াতে চাই এবং বললেন সকলে যেন অংশগ্রহণ করেন । সুলতান মদিনাবাসী আপ্যায়নের জন্য বিশাল আয়োজন করলেন । মদিনার কোন লোক দাওয়াত থেকে বঞ্চিত না হয় নির্ধারিত সময় খাওয়া-দাওয়া শুরু হল যারা দূর-দূরান্ত থেকে আসতে পারিনি তাদেরকেও শেষ পর্যন্ত ঘোড়া ও গাধা পাঠিয়ে নিয়ে আসা হলো এভাবে প্রায় ১৫ দিন পর্যন্ত অগণিত লোক খানা তৃপ্ত সহকারে খাবার খেলে কিন্তু তিনি স্বপ্ন দেখা ওই দু'টি লোককে আর খুঁজে পেলেন না চিন্তার অথৈ সাগরে হারিয়ে গেলেন তিনি । যদি আর কোন লোক দাওয়াতে শরিক হতে বাকি না থাকে তাহলে সেই অভিশপ্ত লোকজন গেল কোথায়। আমিতো দাওয়াতে শরিক হওয়া প্রতিটি লোকটি অত্যান্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি কিন্তু কারো চেহারাই তো স্বপ্নে দেখার লোক দুটির চেহারার সাথে মিল খাচ্ছে না তাহলে কি আমার মিশন ব্যর্থ হবে তারপর আবারো তিনি নতুন করে ঘোষণা করলেন আমার দৃঢ়বিশ্বাস মদিনা সকল লোক এদের দাওয়াত খাওয়া এখনো শেষ হয়নি অতএব সবাইকে আবারো অনুরোধ করা যাচ্ছে । যারা এখনো আসেনি তাদেরকে যেন অনুসন্ধান করে দেওয়াতে শরিক করা হয় । একথা শ্রবণে মদিনাবাসী সকলেই একবাক্যে বলে উঠল হুজুর মদিনার আশেপাশে এমন কোন লোক বাকি নাই যারা আপনার দাওয়াত এ অংশগ্রহণ করেনি । তখন নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলিষ্ঠ কণ্ঠে বললেন আমি যা বলছি ঠিকই বলছি আপনারা ভালোভাবে অনুসন্ধান করুন সুলতানের এই দিনটা দেখে লক্ষাধিক জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি হঠাৎ করেই বলে উঠল । হুজুর আমার জানামতে দুজন লোক সম্ভবত এখনো বাকি আছে তারা আল্লাহর বুজুর্গ মানুষ । জীবনে কখনো কারো কাছ থেকে হাতিয়া তওফা গ্রহণ করেন না এমনকি কারো দাওয়াতে ও শরিক হন না । তারা নিজেরাই লোকেদেরকে অনেক দান-খয়রাত করে নীরবতাই অধিক পছন্দ করেন । লোক সমাজে উপস্থিত হওয়া মোটেও ভালোবাসেন না ।লোকটির বক্তব্য শুনে সুলতানের চেহারা একদিন বিদুৎ চমক খেলে গেলো তিনি কালবিলম্ব না করে কয়েকজন লোক সহকারে অঙ্ক দুটির আবাসস্থলে উপস্থিত হলে এই তো সেই দুইজন যাদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল । তাদেরকে দেখে সুলতানের দুচোখ রক্তবর্ণ ধারণ করলো তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কে তোমরা কোথা থেকে এসেছো তোমরা সুলতানের দাওয়াতে শরিক হলে না কেন । লোক দুটো নিজের পরিচয় গোপন করে বললেন, হজ্জ কার্য সমাধান করে জিয়ারতের নিয়তে রওজা শরীফে এসেছে কিন্তু প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রেমে আত্মহারা হয়ে ফিরে যেতে মন চাইলো না তাই বাকি জীবনটা রওজার নিকট কাটিয়ে দেওয়ার নিয়তেই সেখানে রয়ে গেছে আমরা কারো দাওয়াত গ্রহণ করি না এক আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা আমরা তাঁরই উপর নির্ভরশীল উপস্থিত জনগণ তাদের পক্ষ হয়ে বলল যে হুজুর এরা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে অবস্থান করছে এদের মত ভাল লোক আর হয়না সবসময় দরিদ্র এতিম ও অসহায় লোকদের প্রচুর পরিমাণে সাহায্য করেন । নুরুদ্দিন জানকি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর লোকদের কথা শুনে লোকটি পুনরায় গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন অত্যন্ত সুক্ষভাবে তাদের থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করলেন এতে আবার তিনি নিশ্চিত হলেন বেরা তারাই যাদের তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এবার সুলতান গম্ভীর স্বরে তাদের বললেন সত্য কথা বলো তোমরা কে কেন কি হইছে এখানে এসেছ আবারও তারা পূর্বের কথায় পুনরাবৃত্তি করল সুলতান এবার কারো কথায় কান না দিয়ে তাদেরকে সেখানে আটক রাখার নির্দেশ দিলেন অতঃপর নিজে তাদের থাকার জায়গায় গিয়ে খুব ভালো করে অনুসন্ধান চালালে সেখানে অনেক মাল সম্পদ পাওয়া গেল গেল বহু দুর্লভ কিতাব পত্র কিন্তু এমন কোন জিনিস পাওয়া গেল না যা দ্বারা স্বপ্নের বিষয়ে কোন প্রকার সাহায্য হয় এখনো রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় তিনি সীমাহীন চিন্তিত । এদিকে মদিনার বহুলোক তাদের জন্য সুপারিশ করেছে । হুজুরেরা নেককার বুজুর্গ দিনভর রোজার আখেরাতের অধিক সময় ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি রওজা শরীফের নিকট এসে আদায় করে । প্রতিদিন নিয়মিত জান্নাতুল বাকি জিয়ারত করে যান। প্রতি শনিবার মসজিদে গমন করেন কেউ কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না । সুলতান তাদের অবস্থা শুনে সীমাহীন আশ্চর্য বোধ করলেন তথাপি তিনি ছাড়লেন না। কক্ষের অংশে অনুসন্ধানী দৃষ্টি ফিরিয়ে যাচ্ছেন । ঘরের প্রতিটি বস্তু কে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন কিন্তু সন্দেহ করার মত কিছুই তিনি পাচ্ছেন না । আচ্ছা তোমাদের নামাজের জায়নামাজটা একটু দেখি । সঙ্গীরা নির্দেশ পালন করল । নামাজের বিছানায় ছিল একটি চাটাইয়ের উপর সুলতান আবারো নির্দেশ দিলেন চাটাইয়ের পার্টির সরানোর । এরপর দেখা গেলো এখানে বিশাল পাথর সুলতানের তা সরানোর নির্দেশে দিলেন। পাথর সরানো পাওয়া গেল এমন একটি সুড়ঙ্গপথ যা বহুদূর পর্যন্ত চলে গেছে এমনকি তা পৌঁছে গেছে রওজা শরীফের অতি সন্নিকটে দৃশ্য অবলোকন করা মাত্রই নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বিজলী আহত ন্যায় চমকে উঠলেন অস্থিরতার কালো মেঘ ছেয়ে যায় তার সমস্ত হৃদয় আকাশে রোধে লাল হয়ে যায় গোটা মুখমণ্ডল অবশেষে লোকগুলো লক্ষ্য করে সিংহের ন্যায় গর্জন করে ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলেন, তোমরা পরিস্কার ভাষায় সত্যি কথাটা বল তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলো তোমরা কে কারা কি উদ্দেশ্যে তোমাদের এখানে পাঠিয়েছে সুলতানের কোথায় তারা ঘাবড়ে গেল। অধীন বিপদ সামনে থেকে আসল পরিচয় প্রকাশ করেন । দীর্ঘদিন যাবত আমাদেরকে মুসল শহরের ইহুদীরা সুদক্ষ কর্মী দ্বারা প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রচুর অর্থ সহকারে এখানে পাঠিয়েছে । আমাদেরকে এজন্য পাঠানো হয়েছে যে, আমরা যেন কোন উপায় মোহাম্মদ সাঃ এর সপদেহ বের করে ইউরিপিও ইহুদিদের হাতে হস্তান্তর করে এই দুরূহ কাজে সফল হলে আমাদেরকে আরো ধন-সম্পদ দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে । সুলতান বললেন তোমরা কিভাবে কাজ করতে । তারা বলল, রাত গভীর হলে অল্প পরিমাণ সুড়ঙ্গ খনন করে এবং চামড়ার গুদামে ভর্তি করে অতি সন্তর্পণে মদিনার বাইরে নিয়ে ফেলে আসা আজ দীর্ঘ তিন বছর যাবত যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজে আমরা অনবরত ব্যস্ত ছিলাম । যে সময় আমরা রওজা মোবারকের নিকট পৌঁছে গেলাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন করলাম যে । এক সপ্তার মধ্যে বিশ্বনবীর লাশ বের করে নিয়ে যাব । ঠিক সে সময় ধরে আমাদের মনে হল আকাশ যেন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে । জমিনে প্রচন্ড ভূমিকম্পের করে থর থর করে কাঁপছে যেন সমগ্র পৃথিবী জুড়ে মহাপ্রলয় সংঘটিত হচ্ছে অবস্থা এতটাই শোচনীয় রূপ ধারণ করল যে মনে হল সুরঙ্গ ভিতরে যেন আমরা সমাধিস্থ হয়ে পড়ব এই অবস্থায় প্রত্যক্ষ করে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে রেখেছি । তাদের বক্তব্যে সুলতানের নিকট সবকিছুই পরিষ্কার হয়ে গেল তাই তিনি লোক দুটোকে নজিরবিহীন শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন । যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর এই দুঃসাহস দেখাতে না পারে । তিনি মসজিদ হতে অর্ধমাস ধরে একটি বিশাল মঞ্চ তৈরি করলেন সাথে সাথে সংবাদ পাঠিয়ে মদিনা ও মদিনা আশেপাশের লোকেদেরকে উক্ত ময়দানে হাজির করার নির্দেশ প্রদান করলেন । নির্ধারিত সময় লক্ষ লক্ষ লোক উক্ত মাঠে সমবেত হল । সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অপরাধী দুটোকে লোহার শিকলে আবদ্ধ করে মঞ্চের উপর বসালেন । তারপর বিশাল জনসমুদ্রে মাঝে তাদের হীন চক্রান্ত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করলেন সুলতান নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর বক্তব্য শ্রবণ করে লোকজন হতবাক হয়ে গেলেন তারা এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করল সুলতান বললেন হ্যাঁ এদের শাস্তি দৃষ্টান্তমূলক হবে তিনি লোকেদের বিপুল পরিমাণ সংগ্রহের নির্দেশ দিলেন তারপর লক্ষ জনতার সামনে এসেই ইহুদি দুটোকে মঞ্চের নিম্নভাগে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে ভস্ম করে ফেলেন । কোন কোন বর্ণনায় আছে সেই আগুন নাকি দীর্ঘ ১১ দিন পর্যন্ত চলেছিল অতঃপর তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে ১০০০ হাজার মণ সীশা গলিয়ে রওজা শরীফের চতুর্পাশে মজবুত প্রাচীর নির্মাণ করে দেন যেন ভবিষ্যতে আর কেউ প্রিয় নবীজির কবর পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম না হয় তারপর তিনি আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করলেন এবং তাকে এত বড় খেদমতের জন্য কবুল করা হলো সে জন্য সপ্তাহব্যাপী আনন্দ অশ্রু বিসর্জন দিলেন ইতিহাস থেকে জানা যায় যে নুরুদ্দিন জাঙ্কি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ইন্তেকাল করলে ওসিউত মোতাবেক দাল্লাস রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রওজা মোবারকের অতি নিকটে দাফন করা হয় বন্ধুরা এই হলো ইহুদিদের চক্রান্ত।

যে উপদেশ আপনাকে বদলে দিবে- আল-কোরআন

আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুর'আনে বলেনঃ তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে তোমরা গোপন করো না তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও এবং নিজেরা নিজেদের ভুলে যাও অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর তবুও কি তোমরা চিন্তা করো না । আল্লাহর দেওয়া রিযিক খাও আর দুনিয়ার বুকে দাংগা-হাংগামা করে বেড়িও না। 
আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে সেই হুকুমের আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা'আলা নাযিল করেছেন তখন তারা বলে কখনোই না আমরা তো সেই বিষয়ে অনুসরণ করব । যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে দেখেছি যদিও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না । জানতো না সরলপথ তোমরা অন্যায় ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করো না এবং জনগণের সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্নসাৎ করার উদ্দেশে শাসন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিও না আর তোমরা আল্লাহর রাস্তায় তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো। যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সীমালংঘন করো না নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না আর তোমার কাছে জিজ্ঞাসা করে এতিম সংক্রান্ত হুকুম বলে দাও তাদের কাজকর্ম সঠিক ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া যদি তাদের ব্যাপার নিজের সাথে মিশিয়ে নাও তাহলে মনে করবে তারা তোমাদেরই ভাই । বস্তুত অমঙ্গল কারিও মঙ্গল কারীদেরকে আল্লাহ জানে আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন তাহলে তোমাদের উপর জটিলতা আরও পড়তে পারতেন । নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় আর তাদেরকে তাদের নবী বললেন নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্যে বাদশা সাব্যস্ত করেছেন তারা বলতে লাগল তা কেমন করে হয় যে তার শাসন চলবে আমাদের উপর অথচ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে আমাদের অধিকারী বেশি আর সে সম্পদের দিক দিয়েও সচ্ছল নয় । নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তাদেরকে পছন্দ করেছেন এবং স্বাস্থ্য ও জ্ঞান দিক দিয়ে প্রাচুর্য দান করেছেন বস্তুতঃ আল্লাহ তাকেই রাজ্য দান করেন যাকে ইচ্ছা । আর আল্লাহ হলেন অনুগ্রহ দানকারী এবং সব বিষয়ে অবগত দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্যতা নেই গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে এখন যারা গোমরাহকারী তাদেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে সে ধারণ করে নিয়েছে  আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন হে ঈমানদারগণ তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-খয়রাত বরবাদ করে দিও না । সেই ব্যক্তির মত যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না । এ ব্যক্তির দৃষ্টান্ত একটি মিশ্রণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হল । অন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিলো । তারা ঐ বস্তুর কোন ছোঁয়া পায় না যা তারা উপার্জন করেছে আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না । বন্ধুরা এই ভিডিওটিতে আমি পবিত্র কোরআন থেকে কিছু উপদেশ মূলক আয়াত আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি ।

টাখনুর নিচের পড়া নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও হাদিসের আলোকপাত?

বন্ধুরা আমাদের অনেকেরই ধারণা সুন্নত পালন করলে নাকি আছে না করলে অসুবিধা নেই । নামাজ-রোজা ঠিক থাকলেই হলো কিন্তু এমন কিছু সুন্নত রয়েছে যা পালন করা খুবই জরুরি যেমন, দাড়ি রাখা পুরুষদের ক্ষেত্রে পায়ের টাখনুর উপর কাপড় পরিধান করা ইত্যাদি এগুলো হলো সেই সুন্নত যা ছেড়ে দিলে কঠিন গুনাহের সম্মুখীন হতে হবে এবং এইসব যথাযথভাবে পালন না করলে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে হবে । আমরা আল্লাহ তাআলা হুকুম দিয়েছেন সেই হিসেবে আমরা এসব সুন্নত পালন করে থাকি । এটিতে বৈজ্ঞানিকভাবে কোন ফায়দা থাক বা না থাক ।
এটা আমরা দেখি না তো বন্ধুরা তারপরেও এই লেখাটিতে আমি আলোচনা করব । পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরাতে কি উপকার রয়েছে ? বৈজ্ঞানিকভাবে যে আদেশটি প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলে গিয়েছিলেন আজ থেকে চোদ্দশ বছর আগে । আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, পুরুষদের নিচের অংশের পরিধেয় পোশাকের যে অংশ নিতে ঝুলানো থাকে । সেই অংশটা জাহান্নামে যাবে আরেকটি হাদীসে রয়েছে যে ব্যক্তি গর্ভের সহিত তার কাপড় টাখনুর নিচে পড়ে সেই ব্যক্তিকে মহান আল্লাহতায়ালা কেয়ামতের দিন দৃষ্টিপাত করবেন না । এখানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথাটা একটু বোঝার চেষ্টা করি। মিথ্যা বললে জাহান্নামে যেতে হবে এমন কথা রাসুল সাঃ বলেন নি । অথচ মিথ্যা বলা মহাপাপ করলে জাহান্নামে যেতে হবে এমন কথা রাসুল সাঃ কোন জায়গায় বলেননি । একটু খেয়াল করে দেখুন অন্যদের ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল সাঃ যে কথা বলেননি যে এই কাজের জন্য সরাসরি জাহান্নামে যেতে হবে । কিন্তু যে পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরিধান করবে তার ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল সাঃ বলেছেন সরাসরি বলেছেন জাহান্নামী সুতরাং পেন্ট বা কাপড় পরা যাবে না তো বন্ধুরা এখন আসি এত গুরুত্ব দেওয়া হল কেন ? ইসলামের এ পর্যন্ত যত আদেশ নিষেধ রয়েছে তা মানব জাতির কল্যাণের জন্যই রয়েছে যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর এরকম কোনো আদেশ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি উপর কাপড় পরিধান করলে এতে আলো বাতাস লাগে তার ভেতরে সেক্সুয়াল হরমোন বৃদ্ধি পায় টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করলে যৌন শক্তি হ্রাস পায় । পুরুষের টাখনুর নিচে কাপড় পড়লে তাদের যৌন শক্তি কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক ক্ষতি হয় । কেননা টাখনুর মধ্যে বিভিন্ন এনজাইম থাকে যেগুলো আলো-বাতাস না পেলে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এটি শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রে নারীদের ক্ষেত্রে ঠিক এর উল্টো নারীরা টাকার নিচে কাপড় না বললেও সমস্যা দেখা দিবে। ইসলামে নারীদের নিচে কাপড় পরিধানের কথা বলা হয়েছে । নবী করিম সাঃ এর হাদিসের রয়েছে নারীদের নিচে কাপড় পরিধানের কথা । বন্ধুরা, হাকিম তারেক সাহেব তিনি এ সম্পর্কে লিখতে গেলে তিনি বলেন আমি আমেরিকায় কোন কাজের জন্য নিশিগঞ্জ দিয়েছিলাম তখন আমার এক বন্ধু আমাকে কিছু দেখানোর জন্যে একটি হেল্প সেন্টারে নিয়ে যায় এবং আমরা যখন সেই হেল্প সেন্টারে পৌ্চ্ছায় সেটা অনেক বড় ছিল এবং এখানে অনেক দোকান ছিল সেখানে আমরা ঘুরতে ঘুরতে একটি দোকানে পৌছালাম সেখানে লেখা ছিল আপনার প্যান্টের উপর পরিধান করুন । তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম এটা কি কোন মুসলমানের সেন্টার আমার বন্ধু বলল না এটা একটি খ্রিস্টানদের রিসার্চ সেন্টার। যেখানে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর রিচার্জ করা হয় । আজকে আমরা মুসলমানরা খ্রিস্টানদের স্টাইল করতে গিয়ে আমরা তাদের অনুসরণ করছি কিন্তু যেখানে সুন্নতের উপর আমল করা আমাদের উপকার সেটা থেকে আমরা বের হয়ে গিয়েছি।

Contact Us

Phone :

+88 016 3670 21**

Address :

Jamalpur, Mymensingh,
Bangladesh

Email :

zahangiralamjp@gmail.com